Simple Social Image Hover Sharing Plugin for Blogger – Blogspot

Slider

sndrk থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Video

Article

News

Technology

Life & style

Gallery

Sports

কুরআন মাজীদ হোক শিশুর প্রথম অধ্যায় -- মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী



কুরআন মাজীদ হোক শিশুর প্রথম অধ্যায়

- মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী

 

অনেকে কুরআন মাজীদকে শুধু মুসলিমদের জন্য ব্যাকেট বন্ধী করে ফেলেছেন ! এটা ঠিক নয়। কেননা এ বিশ্বের সৃষ্টি কর্তা মহান আল্লাহ কুরআন প্রেরণ করেছেন সকল মানুষের জন্য। কোন বিশেষ ধর্ম-বর্ণ বা গোত্রের জন্য নয়।

 

শিশু-কিশোরদের সর্বপ্রথম কোরআনের পাঠদান করা উচিত। কোরআনের মাধ্যমে শিক্ষাজীবন শুরু করলে শিশুর জীবন বরকতময় হবে, হতে অত্যন্ত আনন্দময়। শিশু সৃষ্টি কর্তার অনুগ্রহ লাভ করবে। তা ছাড়া অভিজ্ঞতা বলে, শৈশবে শিশুরা অন্য বিষয়ের পাঠ গ্রহণ করতে না পারলেও তারা কোরআন রপ্ত করতে পারে। শৈশবই কোরআন শেখার সর্বোত্তম সময়।

 কেননা শৈশবে শিশুর মন বিক্ষিপ্ত থাকে না, তারা পূর্ণ মনোযোগসহ কোরআন শিখতে পারে। শিশুর জীবনে এর প্রভাবও অত্যন্ত ইতিবাচক। মুসলিম সমাজ ও সভ্যতার ঐতিহ্য হলো শিশুরা কোরআনের পাঠ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন শুরু করবে। কোরআন না শেখা পর্যন্ত অন্যান্য ইসলামী জ্ঞানের পাঠ তাদের দেওয়া হতো না।

  


        ইমাম নববী (রহ.) বলেন, ‘পূর্বসূরি আলেমরা কোরআন মুখস্থ না করা পর্যন্ত কাউকে হাদিস ও ফিকহ শেখাতেন না।’ (আল-মাজমু : /৩৮)

বড় হলে নিজে নিজে কোরআন পড়ে নেবে, এমন চিন্তা থেকে কেউ কেউ শিশুকে কোরআনের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখে। অভিজ্ঞতা বলে, এমন শিশুদের বেশির ভাগই পরবর্তী জীবনে কোরআন শেখার আগ্রহ খুঁজে পায় না। আর কেউ আগ্রহী হলেও কাজটি তাঁর জন্য সহজ থাকে না, কঠিন হয়ে যায়।

 

 

পরবর্তী জীবনে একদিকে যেমন একাগ্রতা থাকে না, নানা কারণে মন বিক্ষিপ্ত থাকে, অন্যদিকে তেমন ক্রমেই মানুষের ব্যস্ত বাড়তে থাকে। সময়-সুযোগ বের করাই সম্ভব হয় না। ঘর, সংসার, আয়-রোজগার বহু চিন্তা মাথায় কাজ করে। এত ঝামেলা এড়িয়ে ব্যক্তির পক্ষে কোরআন পাঠের জন্য সময় বের করা এবং তাতে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।

পারিপার্শ্বিক কারণে শিশুর মনে যদি কোরআন শেখার ব্যাপারে ভীতি সৃষ্টি হয়, তবে তাদের বোঝাতে আল্লাহ মানুষের জন্য কোরআন শেখা সহজ করেছেন।

 

 

ইরশাদ হয়েছে, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা কামার, আয়াত : ১৭)

শুধু কোরআন নয়; বরং আমি বলব সাধারণ শিক্ষার আগে শিশুকে প্রয়োজনীয় দ্বিনি শিক্ষা প্রদান করা উচিত। কেননা শিশুর মানসপটে প্রথমে যে বিষয়ের চিত্র অঙ্কিত হয়, তার প্রভাবই স্থায়ী ও সুদৃঢ় হয়। তাই শিশুকে প্রথমে দ্বিনি শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। যদি শিশুকে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী শিক্ষা দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে কোরআনের কিছু অংশ শিখিয়ে তিলাওয়াত অব্যাহত রাখতে হবে। তারপর কিছু দ্বিনি বই-পুস্তক ও প্রয়োজনী মাসয়ালা-মাসায়েল মাতৃভাষায় হলেও শিক্ষা দিতে হবে। আর এই শিক্ষাটুকু কোনো আলেমের তত্ত্বাবধানে হওয়া উত্তম। কেননা তিনিই প্রয়োজনীয় দ্বিনি শিক্ষার সীমা ও শিক্ষা-সহায়ক বই-পুস্তক নির্ধারণের অধিক যোগ্যতা রাখেন। পাশাপাশি সতর্ক দৃষ্টিও রাখতে হবে। শিশুর ভেতর দ্বিন-পরিপন্থী কোনো বিষয় লক্ষ্য করলে বা ধর্মবিদ্বেষী মনোভাব দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে সতর্ক করতে হবে। যদি মনে হয়, এটা শিক্ষার প্রভাব তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করতেও দেরি করা যাবে না। কেননা আল্লাহ দ্বিনকে দুনিয়ার ওপর প্রাধান্য দিতে বলেছেন।

 

শিশুদের নেক সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে ছোটবেলা থেকেই তার প্রতি যত্নবান হতে হবে। বিশেষত তার মনমানসিকতার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। যেন তাদের মন পাপে আসক্ত হয়ে না পড়ে। অনেকে শৈশবে শিশুর অন্যায় আবদারগুলোকে প্রশ্রয় দেয়। যা পরবর্তী সময়ে তাকে সুসন্তান হিসেবে গড়ে তোলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্য মা-বাবার ইসলামী শিক্ষার অনুশীলন জরুরি। তাদেরই গুনাহমুক্ত পবিত্র পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন থেকে রক্ষা করো। (সুরা তাহরিম, আয়াত : ৬)

 

তবে শিশু প্রতিপালনে কঠোরতা পরিবর্তে নম্রতা অনুসরণ করাই বাঞ্ছনীয়। কেননা কঠোরতা শিশুর মন বিগড়ে দিতে পারে। তাদের আনন্দমুখর সুন্দর পরিবেশেই শিক্ষার সঠিক পথটি দেখিয়ে দিতে হবে। স্নেহ-মমতা শিশুকে বেশি প্রভাবিত করে শাসন ও কঠোরতার চেয়ে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) দিনের এক অংশে বের হন, তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেননি এবং আমিও তাঁর সঙ্গে কথা বলিনি। অবশেষে তিনি বনু কাইনুকা বাজারে এলেন। (সেখান থেকে ফিরে) ফাতেমা (রা.)-এর ঘরের আঙিনায় বসলেন। অতঃপর বলেন, এখানে খোকা! তথা হাসান আছে কি? এখানে খোকা আছে কি? ফাতেমা (রা.) তাঁকে কিছুক্ষণ সময় দিলেন। আমার ধারণা হলো, তিনি তাঁকে পুঁতির মালা, সোনা-রুপা ছাড়া যা বাচ্চাদের পরানো হতো, পরাচ্ছিলেন (সাজিয়ে দিচ্ছিলেন)। তারপর তিনি দৌড়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং চুমু খেলেন। তখন তিনি বলেন, ‘হে আল্লাহ, তুমি তাকে (হাসানকে) ভালোবাসো এবং তাকে যে ভালোবাসে তাকেও ভালোবাসো। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২১২২)




Text Heare






ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষার সকল শ্রেণির ফলাফল ২০২৩ PDF


ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষার সকল শ্রেণির ফলাফল ২০২৩ PDF



অত্র ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদ্রাসার ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রছাত্রীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলো।

আজ সকাল ৯ টায় মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হযরত মাওলানা মঈন উদ্দিন সাহেব প্রথম শ্রেণী থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত সকল রেজাল্ট এর কপি যাচাই-বাছাইও বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত ফলাফলের কপি মাদ্রাসার সম্মানিত প্রধান শিক্ষক হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসাইন সাহেবের নিকট হস্তান্তর করেন।

চূড়ান্ত ফলাফল এর সিট মাদ্রাসার ফেসবুক পেইজ ওয়েবসাইট এবং ইউটিউবে আজ বিকেল পাঁচটায় প্রকাশিত হলো।

ফলাফল পেতে এই DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন- 








স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা নীতিমালা ২০১৮


স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা নীতিমালা ২০১৮

Sotontra Ebtedaee Madrasah Policy 2018




ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন-   Download








مغني جديد في الأغنية القديمة - رَمَضان نشيد Ekti bochor Pore Abar (Ramadaan Song) Bangla Islamic Song | Ismail H Khan

مغني جديد في الأغنية القديمة  - رَمَضان نشيد



Ekti bochor Pore Abar (Ramadaan Song) Bangla Islamic Song - Ismail H Khan




Photo Gallery of Bhowanigonj Enayetia Madrasah




Photo Gallery of Bhowanigonj Enayetia Madrasah
Institute

Classroom

Students are delighted to find new books

District Education Officer visited Madrasa






Donate to Bhabaniganj Enayetiya Madrasah to provide helpless services




Dearest Brothers and Sister,
Assalamu Alaikum.

There are helpless service funds in South Bhabaniganj Enayetia Madrasa.
Through this financial support is provided to many meritorious and poor students.
The source of the fund's only income is the donation given to you.
In addition to the work of overall development of Madrasa, in your favor, poor helpless people were helped.







There is a zakat fund in this madrasa. You can pay Zakat for the poor students of these madrassas.

 The education life of 150 students of your donation will be enlightened in this sector. The role of the country's ideal citizens is immense.

Donate Address: Islami Bank Bangladesh Limited, Lakshmipur Branch, Account No. 26921

Or

Please enter this number- +88 01726-520330




Best Regards,
Muhammad Ismail Hossain Khan
Head teachers and secretaries
Bhabaniganj Enayetiya Ibtadei Madrasa
Bhowanigonj, Sadar-Lakshmipur,
Post Code-3702, Bangladesh.
Contact No- +88 01726-520330




Dirilis Ertugrul is a history-based adventurer who has found worldwide popular Turkish TV serials




Dirilis Ertugrul is a history-based adventurer who has found worldwide popular Turkish TV serials.



Aritugorul Gazi Who is the ancestor of Sultan Solaiman The hands of the Ottoman Empire started The Turkish TV serial "Dirilish Ertugrul", which created the true life story of the invincible "Ertugrul Gazi".











Ebtedayee Somaponi Examination 2018 || Bangla Suggestion || ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী বাংলা সাজেশন

Ebtedayee Somaponi Examination 2018 || Bangla Suggestion

ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী বাংলা সাজেশন
ইসমাইল এইচ খান




রচনা:
(১).পিতার প্রতি কর্তব্য।
(২).বাংলাদেশী সোনালী আশ।
(৩).সময়ের মুল্যে।
———
কবিতা:
(১).মুনা জাত।
(২).শিক্ষকের মর্যাদা।
(৩).রাখাল ছেলে।
(৪).বাংলা ভাষা।

সারমর্ম:-
(১) নাতে রাসুল।
(২) বাংলা ভাষা।
(৩) শিক্ষকের মর্যাদা।
 (৪) মা।
——

যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:-
(১).মাছে ভাতে বাঙালি কথাটির অর্থ কি? আমাদের কে কেন মাছে ভাতে বাঙ্গালী বলে ?
(২) বিদায় হজ্জের ভাষণের মুল বক্তব্য নিজের ভাষায় শিখ?
———
যে কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:-
(১).আপন হাতের মুঠোয় পুরে কথাটির অর্থ কি?
(২). নবীর শিক্ষা কবিতা থেকে আমরা কি শিক্ষা পাই?
(৩).রাখাল ছেলে কবিতায় পল্লী প্রকৃতির কি কী ফুটে উঠেছে?
———

ব্যাখ্যা:-
(১).চ ালাও সে পথে যে পথে তোমার
(২). ভালো মন্দ দোষ গুন আধার রাতে ধরে--ব্যাকরণ
———
 (১). পদ কাকে বলে।পদ কত প্রকার ও কি কি? প্রত্যেক প্রকারের একটি করে উদাহরণ দাও?
(২).ব্যাকরণ কাকে বলে ? ব্যাকরণ পাঠের প্রয়োজনীয়তা কি?
(৩). ক্রিয়া কাল কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি?
(৪).ভাষা কাকে বলে? ভাষা কত প্রকার ও কি কি? প্রত্যেক প্রকারের একটি করে উদাহরণ দাও?

Ebtedaee Somaponi Examination Preparation 2018 || Subject : English

Ebtedaee Somaponi Examination Preparation 2018

Subject : English

Read the given text carefully and answer the questions 5, 6, 7, 8 and 9 :

Casabianca was a little boy. He was only thirteen years old. Though he was a little boy, he was punctual and dutiful. His father was a military officer. One day Casabianca was in a ship with his father,� The ship was suddenly attacked by the enemy. leis -father posted him at a place on the deck and told him not to move. The enemy killed his father. The ship�: went on fire. The boy kept standing on the burning �deck. Everybody fled from the fire. But Casabianca did not leave the place without his father�s order. He stood firm and waited for his father. He did not know that his father was lying dead. He called his father again and again. But no reply came. The flames of the fire soon covered him. �The boy stood firm and fell into death.



5. Write only the question number and the answer letter. 1 x 10 = 10 

(f) The ship � fire except Casabinaca.
i. caught ii. was
iii. on iv. is
Answer : i. caught


(g) The boy kept standing on the burning deck. Here standing is �.
i. adjective
ii. noun
iii. verb
iv. adverb
Answer : i. adjective

(h) � fled from the fire.
i. All
ii. None
iii. No one
iv. A few
Answer : i. All

(i) Casabianca � the place.
i. did not leave
ii. left
iii. was leaving the place
iv. will leave
Answer : i. did not leave

(j) Casabianca did not know that his fath was lying �.
i. dead
ii. asleep
iii. alive
iv. none of these
Answer : i. dead

Recruitment Notice : Islamic Foundation under the Ministry of Religions


Recruitment Notice
Islamic Foundation under the Ministry of Religions


Apply now and develop your career


Click This Link-
Form Download 
 Job Application Form

Quran Research Center QRC Has Organized an Exceptional Education. قراءة الآية قراءة ال

News Desk : Quran Research Center QRC Has Organized an Exceptional Education.

It's Great for Children.

See This Video-

Distribution of books among students of Bhowanigonj Enayetia Madrasah

Last 1 January 2018 The Distribution of books among students of this Madrasah.



Festive getting new books for children

During book distribution, Assitant Head teacher Hafez Mawlan Abdul Hoque, Teacher Rakib, Billal Hossain, Nazma Akter and other people  was present.


Chief teacher Maulana Ismail sent a video message.
He said today's children are the ideal citizens of the coming day.
He sought blessings and fellowship to the wealthy people of the area.

সন্তানকে সার্বক্ষণিক নজরে রাখুন !

সন্তানের মানষিক বিকাশের হালচাল- পর্ব-2
 ------------------------- ইসমাইল এইচ খান ------------------------

সন্তানকে সার্বক্ষণিক নজরে রাখুন !
শুধু ব্লু হোয়েল নয় অধিকাংশ গেমস ই ক্ষতিকারক !
সন্তান কি করছে তা সার্বক্ষণিক মনিটর করা একজন দায়িত্বশীল অভিভাবকের পরিচয় ।



দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, একশ্রেণীর প্রগতিবাদী নামের দুর্গতি সৃষ্টিকারীরা শিশু স্বাধীনতা বা নারী স্বাধীনতার নামে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিপদের দিকেই ঠেলে দিচ্ছে !


তাই এসব বিষয়ে এখনই আমাদের সতর্ক হওয়া জরুরী ।
লেখক- প্রধান শিক্ষক, অত্র মাদরাসা



এক নযরে হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কাহিনী


ইসমাইল খান  :

 (১) জন্মের বৎসরাধিক কাল পরেই মায়ের মৃত্যু (২) অতঃপর ফুফুর কাছে লালন-পালন (৩) ফুফু ও পিতার স্নেহের দ্বন্দ্বে ফুফু কর্তৃক চুরির অপবাদ প্রদান। অতঃপর চুরির শাস্তি স্বরূপ ফুফুর দাসত্ব বরণ (৪) শৈশবে স্বপ্ন দর্শন ও পিতার নিকটে বর্ণনা (৫) পিতৃস্নেহের আধিক্যের কারণে ভ্রাতৃ হিংসায় পতিত হন এবং তাকে হত্যার চক্রান্ত হয়।




(৬) পরে জঙ্গলে নিয়ে হত্যার বদলে অন্ধকূপে নিক্ষেপ করা হয় (৭) সেখান থেকে প্রসিদ্ধ মতে তিন দিন পরে একটি পথহারা ব্যবসায়ী কাফেলার নিক্ষিপ্ত বালতিতে করে উপরে উঠে আসেন (৮) অতঃপর ভাইদের মাধ্যমে ব্যবসায়ী কাফেলার নিকটে ক্রীতদাস হিসাবে স্বল্পমূল্যে বিক্রি হয়ে যান।
(৯) অতঃপর আযীযে মিছরক্বিৎফীরের গৃহে ক্রীতদাস হিসাবে পদার্পণ করেন ও পুত্রস্নেহে লালিত-পালিত হন (১০) যৌবনে গৃহস্বামীর স্ত্রী যোলায়খার কু-নযরে পড়েন (১১) অতঃপর সেখান থেকে ব্যভিচার চেষ্টার মিথ্যা অপবাদে কারাগারে নিক্ষিপ্ত হন
(
১২) প্রসিদ্ধ মতে সাত বছর কারাগারে থাকার পর বাদশাহর স্বপ্ন ব্যাখ্যা দানের অসীলায় বেকসূর খালাস পান এবং তার পূর্বে সম্ভবতঃ জেলখানাতেই তাঁর নবুঅতলাভ হয় (১৩) অতঃপর বাদশাহর নৈকট্যশীল হিসাবে বরিত হন (১৪) এ সময় ক্বিৎফীরের মৃত্যু এবং বাদশাহর উদ্যোগে যুলায়খার সাথে ইউসুফের বিবাহ হয় বলে ইস্রাঈলী বর্ণনায় প্রতিভাত হয়। তবে এতে মতভেদ রয়েছে।
(
১৫) বাদশাহ ইসলাম কবুল করেন বলে বর্ণিত হয়েছে এবং ইউসুফকে অর্থ মন্ত্রণালয় সহ দেশের পুরা শাসনভার অর্পণ করে তিনি নির্জনবাসী হন (১৬) দুর্ভিক্ষের সাত বছরের শুরুতে কেনআন থেকে ইউসুফের সৎভাইয়েরা খাদ্যের সন্ধানে মিসরে আসেন এবং তিনি তাদের চিনতে পারেন। দ্বিতীয়বার আসার সময় তিনি বেনিয়ামীনকে সাথে আনতেবলেন।
(১৭) বেনিয়ামীনকে আনার পর বিদায়ের সময় তার খাদ্য-শস্যের বস্তার মধ্যে ওযনপাত্র রেখে দিয়ে কৌশলে চোর’(?) বানিয়ে তাকে নিজের কাছে আটকে রাখেন (১৮) বেনিয়ামীনকে হারানোর মনোকষ্টে বেদনাহত পিতা ইয়াকূব স্বীয় পুত্র ইউসুফ ও বেনিয়ামীনকে একত্রে পাওয়ার ব্যাপারে আল্লাহর নিকট থেকে বিশেষ জ্ঞান অথবা গোপন অহী লাভ করেন (১৯) ইউসুফ ও বেনিয়ামীনকে খুঁজে আনার জন্য ছেলেদের প্রতি তিনি কড়া নির্দেশ দেন এবং সেমতে তারা পুনরায় মিসর গমন করেন।
(২০) এই সময় আযীযে মিছরের সঙ্গে সাক্ষাৎ কালে ভাইদের মুখে বৃদ্ধ পিতার ও দুস্থ পরিবারের দুরবস্থার কথা শুনে ব্যথিত ইউসুফ নিজেকে প্রকাশ করে দেন।
(২১) তখন ভাইয়েরা তার নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন (২২) ইউসুফের নির্দেশে ভাইয়েরা কেনআনে ফিরে যান এবং ইউসুফের দেওয়া তার ব্যবহৃত জামা তার পরামর্শমতে অন্ধ পিতার চেহারার উপরে রাখার সাথে সাথে তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পান
(২৩) অতঃপর ইউসুফের আবেদনক্রমে গোটা ইয়াকূব-পরিবার মিসরে স্থায়ীভাবে হিজরত করে (২৪) মিসরে তাদেরকে রাজকীয় সন্বর্ধনা প্রদান করা হয় এবং প্রসিদ্ধ মতে চল্লিশ বছর পর পিতা ও পুত্রের মিলন হয়। (২৫) অতঃপর পিতা-মাতা ও ১১ ভাই ইউসুফকে সম্মানের সিজদা করেন।
এভাবে শৈশবে দেখা ইউসুফের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয় এবং একটি করুণ কাহিনীর আনন্দময় সমাপ্তি ঘটে।






যাকাত কেন দিবেন ? কোথায় দিবেন ?



ইসমাইল খান  :

ম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ।
 রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের আহবান নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত পবিত্র মাহে রমযান।

মহান আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাদের তাকওয়া বা আল্লাহ ভীতি অর্জনের মূল লক্ষই নির্ধারণ করেছেন এ মাসে। সূরা আল বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন ‘‘হে ঈমানদার লোকেরা তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো ”।

রোজা আমাদের যেমন ক্ষুধায় কাতর দুঃখী মানুষের প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলে তেমনি প্রদান করে ধৈর্য্য, একনিষ্ঠতা, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা আর প্রেরণা যোগায় শোষণ, ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও বৈষম্যমুক্ত একটি আদর্শিক সমৃদ্ধ সমাজ ও দেশ গড়ার।

রমযানে একমাস সিয়াম সাধনার পর ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও বৈষম্য মুক্ত একটি আদর্শিক সমাজ গড়ার মহান লক্ষযে আল্লাহ সমাজের বিত্তশালীদের উপর যাকাত ফরজ করে দিয়েছেন এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন ধ্বংশ ওইসব মুশরিকদের জন্য যারা যাকাত দেয়না এবং আখিরাতকে অস্বীকার করে” (হা-মীম আস-সিজদা ৬-৭)

যাকাত কি ?
যাকাত ইসলামী অর্থব্যবস্থার একটি ফরজ (অতীব গুরুত্বপূর্ণ ) বিধান। ঈমান আনা ও নামাজ আদায়ের পর যাকাত নিয়মিত আদায় করেই একজন বিত্তবান ব্যক্তি মুসলিম সমাজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। যাকাতের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপরের জন্য স্বার্থত্যাগের মানসিকতা সৃষ্টি, কৃপণতা বর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা।

 যাকাত কাকে বলে :
যাকাতশব্দটির অর্থ পবিত্রকরণ, পরিশুদ্ধকরণ ও প্রবৃদ্ধি। শরিয়তের পরিভাষায়- ইসলাম নির্দেশিত পন্থায় সচ্ছল মুসলিম নারী ও পুরুষ কর্তৃক সামাজিক সহায়তা এবং জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে কুরআনে বর্ণিত নির্দিষ্ট আটটি খাতে নির্দিষ্ট সম্পদ থেকে, নির্দিষ্ট পরিমাণ ও নির্দিষ্ট সময়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, আত্মশুদ্ধি ও সম্পদের পবিত্রতার জন্য যে সম্পদ ব্যয় করা হয় তাই যাকাত।

 যাকাত কেন দিবেন ?
নিসাব [সাধারণভাবে ৫২.৫ তোলা (ভরি) রুপা বা ৭.৫ তোলা স্বর্ণ বা এর সমমূল্যের সম্পদ) পরিমাণ সম্পদের অধিকারী ব্যক্তির ওপর যাকাত বাধ্যতামূলক। কুরআন মাজিদে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ৮২ বার যাকাতের কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো এবং যাকাত দাও’ (সূরা বাকারা : ১১০)।

মহানবী সা: বলেছেন, ‘ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি : এই সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ সা: আল্লাহর বান্দা ও রাসূল, নামাজ কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, হজ সম্পন্ন করা এবং রমজানের রোজা রাখা’ (মিশকাত)। যাকাত বাধ্যতামূলক হওয়ার ব্যাপারে সব যুগের এবং সব দেশের মুসলিম উম্মাহ একমত। সুতরাং যাকাত অস্বীকারকারী মুরতাদ হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা যাকাত দেয় না তারা হলো সেসব লোক, যারা আখিরাতের প্রতিও অবিশ্বাসী’ (সূরা হা-মীম আস-সাজদা : ৭)।

যাদের ওপর যাকাত ফরজ :
প্রাপ্তবয়স্ক এবং বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের মালের ওপর কিছু শর্তসাপেক্ষে যাকাত ফরজ করা হয়েছে। কোনো অমুসলিম ব্যক্তির ওপর যাকাত ধার্য করা যাবে না। অপ্রাপ্তবয়স্ক কোনো বালক, বালিকা এবং পাগলের মালের ওপর যাকাত ফরজ নয়।

যেসব শর্তসাপেক্ষে উপরোক্ত ব্যক্তির মালের ওপর যাকাত ধার্য হয় তা হলো : ১. মালের ওপর পূর্ণ একটি (চন্দ্র) বছর তার পূর্ণ মালিকানা বিদ্যমান থাকতে হবে, ২. মাল এমন প্রকৃতির হতে হবে যার ওপর যাকাত ধার্য হতে পারে, ৩. মাল নিসাব পরিমাণ বা নিসাবের মূল্যের সমপরিমাণ হতে হবে এবং ৪. ওই নিসাব পরিমাণ মাল তার মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত হতে হবে।

মালিকানা বলতে, ‘কোনো বস্তু ও ব্যক্তির মধ্যকার শরিয়াসম্মত যোগসূত্রকে বুঝায়, যা ব্যক্তিকে ওই বস্তু নিঃশর্তভাবে ভোগ ব্যবহারের অধিকার দেয় এবং অপর লোকের হস্তক্ষেপে বাধা দেয়।নগদ অর্থ, সোনা-রুপা, ব্যবসায়িক পণ্য, পালিত পশু, কৃষিজ পণ্য ইত্যাদির ওপর যাকাত ধার্য হয়। ওয়াকফ সম্পত্তি, সরকারি সম্পত্তি, নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিস, বাড়িঘর ইত্যাদির ওপর যাকাত ধার্য হয় না। কৃষিজ ফসল, ফলমূল ইত্যাদির ক্ষেত্রে পূর্ণ এক বছর মালিকের দখলে থাকা শর্ত নয়। তা যখন আহরিত হয় তখন তার ওপর যাকাত (উশর) ধার্য হয়। সম্পদের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা আড়াই ভাগ যাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে। এ হিসেবে অতিরিক্ত মালের ওপরও যাকাত ফরজ হবে। যাকাত নগদ অর্থ দ্বারাও পরিশোধ করা যায় এবং সংশ্লিষ্ট মাল দ্বারাও পরিশোধ করা যায়।

তৈজসপত্র, অলঙ্কার, বাড়িঘর ও বন্ধকী মালের যাকাত : সাংসারিক কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্র যেমন হাঁড়ি-পাতিল, থালা-বাটি, বিছানাপত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ ইত্যাদির ওপর যাকাত ধার্য হবে না। হানাফি মাজহাব মতে, ব্যবহৃত অলঙ্কারপত্রের যাকাত দিতে হবে। মূল্যবান পাথর যেমন- হীরক, মণিমুক্তা ইত্যাদির তৈরি অলঙ্কারের ওপর যাকাত ধার্য হবে না। বাড়ি-ঘর, দালান-কোঠা ও যানবাহনের ওপরও যাকাত ধার্য হবে না। তবে এগুলো ভাড়ায় খাটিয়ে যে আয় পাওয়া যাবে, তা মালিকের অন্যান্য আয়ের সাথে যুক্ত হবে এবং যথানিয়মে এর ওপর যাকাত ধার্য হবে। বন্ধকী মাল বন্ধকমুক্ত হয়ে মালিকের দখলে ফিরে আসার পর এর ওপর যাকাত ফরজ হবে।

ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত : ব্যবসায়ের ইচ্ছায় উৎপাদিত বা ক্রয়কৃত পণ্য দ্বারা বাস্তবে ব্যবসায়িক কার্য সম্পাদিত হলে ওই পণ্যকে ব্যবসায়িক পণ্যবলে। ব্যবসায়িক পণ্যের নিসাব স্বর্ণ ও রৌপ্যের নিসাবের সমপরিমাণ হলে তার প্রতি চল্লিশ টাকায় এক টাকা যাকাত ধার্য হবে। ব্যবসায়ের কেবল আবর্তনশীল মূলধনের যাকাত দিতে হবে। ব্যবসায়ের স্থাবর সম্পত্তি যেমন দালান-কোঠা, জমি, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ওপর যাকাত ধার্য হবে না। মসজিদ-মাদরাসা বা অনুরূপ জনকল্যাণমূলক কাজের উদ্দেশ্যে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করা হলেও তার ওপর যাকাত ধার্য হবে না। যেসব মালের ওপর সাধারণত যাকাত ধার্য হয় না সেসব মাল ব্যবসায়িক পণ্য হলে তার ওপর জাকাত দিতে হবে। যেমন পাথর, মণিমুক্তা, আসবাবপত্র, তৈজসপত্র, যন্ত্রপাতি, যানবাহন ইত্যাদি।

ঋণ ও যাকাত :
কোনো ব্যক্তির ঋণমুক্ত হওয়াও তার ওপর যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য একটি অপরিহার্য শর্ত। তার ঋণের অংক বিয়োগ করার পর নিসাব পরিমাণ মাল না থাকলে তার ওপর যাকাত ফরজ হবে না। তবে ঋণদাতাকে তার প্রদত্ত ঋণ ফেরত পাওয়ার পর যথারীতি এর জাকাত দিতে হবে। যে ঋণ ফেরত পাওয়ার আশা নেই ওই ঋণ ফেরত পাওয়া গেলে অতীতের বছরগুলোর এমনকি ফেরত পাওয়ার বছরের যাকাত প্রদান করতে হবে না। বরং পরবর্তী বছর থেকে যাকাত দিতে হবে। ঋণ গ্রহণ করে ব্যবসায়ের জমি, দালান-কোঠা, যন্ত্রপাতি ও পণ্য ক্রয় করা হলে কেবল পণ্য ক্রয় বাবদ যতটুকু ঋণ খরচ হয়েছে তা থেকে ততটুকু বিয়োগ করার পর ওই পণ্যের ওপর জাকাত ধার্য হবে। জাকাত দেয়ার অভিপ্রায় : যাকাতদাতার যাকাত দানকালে বা মাল হতে যাকাতের অংশ পৃথক করাকালে তার অভিপ্রায় থাকতে হবে যে, সে তার যাকাত পরিশোধ করছে। অভিপ্রায়হীন সব মাল দান করলেও যাকাত আদায় হবে না।

যাকাত পরিশোধের সময় :

যাকাত ফরজ হওয়ার সাথে সাথেই তা পরিশোধ করা ফরজ হয়। যাকাত ফরজ হওয়ার আগে অগ্রিম পরিশোধ করলে তা ধর্তব্য হবে না। যাকাত ফরজ হওয়ার পর পরিশোধের নির্দিষ্ট সময় আসার আগেই যাকাত দেয়া যায়।

কোন কোন খাতে যাকাত দিবেন ?

কুরআনে আল্লাহ তায়ালা যাকাত প্রদানের জন্য শুধু তাকিদই প্রদান করেননি বরং বিশদভাবে তা ব্যয় করার খাতগুলো বলে দিয়েছেন- এ সদকা তো ফকির মিসকিনদের জন্য এবং তাদের জন্য যারা সদকার কাজে নিয়োজিত এবং তাদের জন্য যাদের মন জয় করা উদ্দেশ্য এবং শৃক্সখল মুক্ত করার জন্য। ঋনগ্রস্থদের সাহায্যের জন্য। আল্লাহর পথে এবং মুসাফিরদের জন্য ব্যয় করার উদ্দেশ্যে অবশ্য পালনীয় ফরয আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে ওয়াকিফহাল এবং মহাজ্ঞানী।”(সূরা আত তওবাহ ঃ ৬০)
এ আয়াতে যাকাতের আটটি খাতের কথা বলা হয়েছে।(১) ফকির বা দরিদ্র (২) মিসকিন অভাবগ্রস্থ অথচ অন্য কারো নিকট হাত পাতে না (৩) যাকাত আদায় ও বন্টনে নিয়োজিত কর্মচারী (৪) নওমুসলিম (মন জয় করার উদ্দেশ্যে) (৫) শৃংখলমুক্ত করার জন্য (৬) ঋনগ্রস্থদের জন্য (৭) জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ বা আল্লাহর পথে এবং (৮) পথিক বা মুসফিরের জন্য।

যাকাত এ আটটি খাতেই ব্যয় করা যায় এর বাইরে নয়। তবে যাকাতের সমুদয় অর্থ সকল খাতেই ব্যয় করতে হবে বা যে কোন একটি খাতে ব্যয় করতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি ইচ্ছা করলে আটটি খাতের যে কোন একটি খাতে ও ব্যয় করতে পারেন। আবার উল্লিখিত একাধিক খাতেও ব্যয় করতে পারেন।

কোথায় যাকাত দিবেন ?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রনালয়ের একটি যাকাত তহবিল রয়েছে । দেশের অধিকাংশ ব্যাংকে সরকারী যাকাত তহবিল নামে একাউন্টে দিতে পারেন ।

অত্র দক্ষিণ ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার গোরাবা ফান্ড রয়েছে, যার মাধ্যমে সারাবছর অসংখ্য মেধাবী ও দরীদ্র ছাত্র/ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এ ফান্ডের একমাত্র আয়ের উৎস আপনাদের দানকৃত যাকাতের অর্থ। আপনার যাকাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অত্র মাদরাসার যাকাত ফান্ডে দান করার অনূরোধ করছি। এ খাতে আপনার দান অত্র মাদরাসার প্রায় ১৫০ জন ছাত্র/ছাত্রীর শিক্ষা জীবন হবে আলোকিত। দেশের আদর্শ নাগরিক তৈরীতে যাদের ভূমিকা অপরিসীম।
যাকাতের অর্থ পাঠানোর ঠিকানা : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, লক্ষ্মীপুর শাখা, হিসাব নং- 26921

অথবা   


করুন  এই নাম্বারে- +88 01845 985 982

বিনীত-
মুহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন খান
প্রধান শিক্ষক ও সেক্রেটারী
দক্ষিন ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া ইবতেদায়ী মাদরাসা
ভবানীগঞ্জ, সদর- লক্ষ্মীপুর।
বিকাশ নং- +88 01845 985 982